আমার ভালোবাসা… কুশিয়ারা সাহিত্য সংসদ – সেলিম আহমেদ মুসা সংক্ষিপ্ত আলোচনা-


  প্রকাশিত হয়েছেঃ  12:11 PM, 02 January 2021

আমার ভালোবাসা…
কুশিয়ারা সাহিত্য সংসদ
– সেলিম আহমেদ মুসা
সংক্ষিপ্ত আলোচনা-
————————-
সংগ্রাম সাফল্য আর গৌরবের মধ্যেই গত ৩০ ডিসেম্বর -২০২০ সালে সংগঠনের ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করল জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে জকিগনজ উপজেলা শাখা। আমি আজ গর্বিত এজন্য একটি সংগঠন কে অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছি।

১৮ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা করে ১৯৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর যা পরিপক্ব ভাবে যাত্রা করে ১৯৯৮ সালে।

সংগঠনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমি ছাড়া আরেক সদস্য জড়িত আছেন। পুরাতনরা পিছিয়ে পড়লেও নতুন নতুন সদস্যদের নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের সকলকে আমার অভিনন্দন ও শুভ কামনা।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক সদস্য/সদস্যা সংগঠনের পেছনে মেধা শ্রম ও অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাদের সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

যারা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছেন তাদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করি এবং আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি,আল্লাহ তায়ালা তাদের কে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুণ। আমিন।

শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মরহুম আলা উদ্দীন আহমদ ও নূর উদ্দীন আহমদ কে। আল্লাহ তায়ালা তাদের দুজন কে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন। তাদের পরিবারের অবদান সংগঠনের ভুলার মতো নয়। বিপদআপদে তারা আমাকে সন্তানের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রেখেছেন। তাদের এ ঋন কখনও কোন মুল্যে পরিশোধ করার মতো নয়।

বিশেষ করে সিলেট নগরীর শাহীঈদগাহ, উত্তর কাজীটুলা ও কলবাখানীর সকল শ্রদ্ধা ভাজন ব্যাক্তি আমাদের সংগঠনের পেছনে তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা সংগঠন কে এগিয়ে নিতে বিশাল ভুমিকা পালন করেছে, তাদের সকলের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।

যখন অনলাইনে আমাদের যাত্রা ছিলো না প্রতিদিন ই কত চিঠি আসত,কত ভালোলাগত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজশাহী, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা উল্লেখযোগ্য।

মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ,হবিগনজ ও সিলেট জেলার প্রতিটি উপজেলার অসংখ্য অগণিত কবিতা লিখিয়েদের ভালোবাসা আর সংগঠনের কার্যালয় সারা দিন রাত ১ টা বেজে যেত যেন আড্ডাবাজদের আড্ডায়।
তর্ক বির্তক এ যেন আমাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল।

আমাদের কবিতা গল্প নিয়ে নিয়মিত প্রকাশনা মাসিক কুশিয়ারা।

শুরুতেই অনেক বাধা বিপত্তি আর হুমকি ধামকি বা পদ পদবীতে যাদের লোভ ছিলো তাদের কে পেছনে পেলে আজ আমরা স্বকীয় পথে এগিয়ে যেতে পেরেছি এরচেয়ে বড় প্রাপ্তি কি হতে পারে? নিশ্চয় এ বিশাল অর্জন।

সংগঠনের চরম হুমকির মধ্যেই মিসবাহ উদ্দীন আহমদ সভাপতি থেকে সংগঠন কে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন। তার এ অবদান কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ করি।

শিক্ষা শান্তি বন্ধুত্ব মুলনীতি নিয়ে চলা। অস্র নয় কলমই হবে প্রতিবাদের হাতিয়ার এই শ্লোগান কে নিয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে না গেলেও অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরশে পা পা করে অনেকদুর এগিয়েছে।

শিক্ষা মুলক কুইজ প্রতিযোগিতা, স্বাধীনতা দিবস,বিজয় দিবস, দোয়া মাহফিল আয়োজন করা, শিশু- কিশোদের নিয়েখেলাধুলা,ক্রিকেট টিম গঠন,অসহায় ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে বই বিতরন,আর্থিক অনুদান,অসুস্থ রোগিদের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন দুর্যোগ সময়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরনের আয়োজন করা হয়।

সভা,সেমিনার, মানব বন্ধন আয়োজন করা হয়। উল্লেখ যোগ্য হলো, টিপাই মুখ বাধ নির্মাণের প্রতিবাদে মানব বন্ধন, ইরাকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, মিয়ানমারে মুসলিমদের উপর নির্যাতন বন্ধে মানব বন্ধন আয়োজন করা হয়।
— চলমান

আপনার মতামত লিখুন :